রূপান্তর - দ্য মেটামরফসিস বইয়ের প্রচ্ছদ

রূপান্তর - দ্য মেটামরফসিস

লেখক: অনুবাদ সাহিত্য

পৃষ্ঠা: 112

বইয়ের পরিচয়

রকমারি থেকে

একদিন ভোরবেলায়, ক্লান্ত আর কর্তব্যে জর্জর এক সেলসম্যান-গ্রেগর সামসা-ঘুম ভেঙে আবিষ্কার করে, তার শরীর আর আগের মতো নেই, পরিণত হয়েছে অদ্ভুত কীটে। কিছু একটা ভয়ানক, অজানা পরিবর্তন ঘটেছে।। সে চেষ্টা করে উঠতে, কথা বলতে, যেন দিনটাকে শুরু করতে পারে ঠিক আগের মতো। কিন্তু দরজার ও-পারে সময়ের চাবুক, চাকরির দায়, আর পরিবারের নির্ভরশীল নীরব আহ্বান-সব একসাথে চেপে বসে তার উপর। যত এগোয় গল্প, ততই গ্রেগরের এই রূপান্তর তাকে সরিয়ে ফেলে আপন মানুষদের কাছ থেকে। ভেঙে যায় পরিচয়ের আয়না, বিবর্ণ হয়ে ওঠে ভালোবাসার ছায়া, আর রয়ে যায় শুধুই প্রশ্ন-মানুষ কীসে মানুষ? কী হলে কেউ আপন থাকে, আর কীসে সে হয়ে ওঠে এক নিঃসঙ্গ অচেনা সত্তা? ফ্রাঞ্জ কাফকার দ্য মেটামরফসিস আমাদের নিয়ে যায় এক অবাস্তব, অথচ পরিচিত জগতে-যেখানে চেনা মুখগুলো সহসাই অপরিচিত হয়ে উঠে, আর নীরবতার মধ্যে লুকিয়ে থাকে জীবনের সবচেয়ে গভীর আর্তি। এই কাহিনি শুধুমাত্র এক অদ্ভুত শারীরিক রূপান্তরের নয়-এ এক নিঃসঙ্গতার সংগীত, এক অস্তিত্বের দীর্ঘশ্বাস।

লেখক পরিচিতি

অনুবাদ সাহিত্য

বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ দোহা-সংকলন চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আরও তিনটি গ্রন্থের সঙ্গে চর্যাগানগুলো নিয়ে সম্পাদিত গ্রন্থের নাম দেন "হাজার বছরের পুরনো বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা "। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য ছিল কাব্যপ্রধান। ইসলাম ধর্ম, হিন্দু ধর্ম ও বাংলার লৌকিক ধর্মবিশ্বাসগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এই সময়কার বাংলা সাহিত্য। ইসলামি ধর্মসাহিত্য,পীরসাহিত্য,বাউল পদাবলি,পবিত্র কুরআনের বঙ্গানুবাদ,মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, শাক্তপদাবলি, বৈষ্ণব সন্তজীবনী, রামায়ণ, মহাভারত ও ভাগবতের বঙ্গানুবাদ, নাথসাহিত্য ইত্যাদি ছিল এই সাহিত্যের মূল বিষয়। বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত হয় খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার নবজাগরণের যুগে কলকাতা শহরকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। এই সময় থেকে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর বদলে মানুষ, মানবতাবাদ ও মানব-মনস্তত্ত্ব বাংলা সাহিত্যের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভাগের পর বাংলা সাহিত্যও দুটি ধারায় বিভক্ত হয়: ঢাকা-কেন্দ্রিক বাংলাদেশের সাহিত্য ও কলকাতা-কেন্দ্রিক পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য। পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য ভারতীয় সাহিত্যের একটি শাখা। বর্তমানে বাংলা সাহিত্য বিশ্বের একটি অন্যতম, সমৃদ্ধ সাহিত্যধারা হিসেবে পরিগণিত হয়ে থাকে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →