বইয়ের পরিচয়

সুখের সন্ধানে এই বইটিতে ড.আয়েয আল কারনী এর বিস্রস্ত জার্নালাস্বরূপ । বইটিতে লেখক তার জীবন ও চারপাশে তার দেখা নানা অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন ঘটনা -অনুঘাটনার উপর শিক্ষামূলক আলোকপাত করেন । কোনো মুসলিম মনীষীর জীবনে সচিত্র বাস্তবজীবন,সমাজজীবন সর্বোপরি মুসলিম উম্মাহ ও গোটা বিশ্বকে নিয়ে তাঁর চিন্তা দর্শন এর প্রতিটিই আমাদের জীবন পথের পাথেয় । বিশেষ করে যুবকদের জন্য । কেননা প্রবীন বিজ্ঞজন অনেক সিদ্বান্ত প্রদান করেন সুদূর ভবিষ্যৎকে সামনে রেখে । তরুন-যুবকদের সামনে অতীতও থাকে না ; ভবিষ্যৎ থাকে না । তরুণদের মাঝে জ্বলজ্বল বর্তমান বিদ্যমান । ব্যক্তি জীবনে,সামাজিক জীবনে,জাগতিক বিষয়ে.ধর্মীয় বিষয়ে আমরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হই । আমাদের অজান্তেই আামদের মাঝে নানা দোষ ক্রটি দানা বেঁধে থাকে । অভাব-অনাটন ও চরম সংকটে পড়েছে ? কোনো উপায় অবলম্বন খুঁজে পাচ্ছো না ?তুমি নিরাশ হয়ো না,ভেঙ্গে পড়ো না । জীবনের

লেখক পরিচিতি

বার্ট্রান্ড রাসেল

1872 – 1970

বার্ট্রান্ড আর্থার উইলিয়াম রাসেল, ৩য় আর্ল রাসেল, ও এম, এফ আর এস (১৮ মে ১৮৭২ – ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০) ছিলেন একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, ইতিহাসবেত্তা, সমাজকর্মী, অহিংসাবাদী, এবং সমাজ সমালোচক. যদিও তিনি ইংল্যান্ডেই জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন, তার জন্ম হয়েছিল ওয়েলস এ, এবং সেখানেই তিনি ৯৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। রাসেল ১৯০০ সালের শুরুতে ব্রিটিশদের আদর্শবাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নেতৃত্ব প্রদান করেন। তাকে বিশ্লেষণী দর্শনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিবেচনা করা হয়, এর অন্যান্য প্রতিষ্ঠাতারা ছিলেন তার শিষ্য ভিটগেনস্টেইন এবং পূর্বসূরি ফ্রেগে এবং তাকে ২০ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠতম যুক্তিবিদদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। রাসেল এবং হোয়াইটহেড একত্রে প্রিন্কিপিয়া ম্যাথমেটিকা নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেন, যাতে তারা গণিতকে যুক্তির ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তার দার্শনিক নিবন্ধ "অন ডিনোটিং" দর্শনশাস্ত্রে মডেল হিসেবে বিবেচিত হয়। দুটো গ্রন্থই যুক্তি, গণিত, সেট তত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব এবং দর্শনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত যুদ্ধবিরোধী ব্যক্তিত্ব এবং জাতিসমূহের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্যে বিশ্বাস করতেন। তিনি ছিলেন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী। রাসেল তার অহিংস মতবাদ প্রচারের জন্যে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জেলবন্দী হন, তিনি হিটলারের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালান, সোভিয়েত টোটালিটারিয়ানিজম এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধে আমেরিকার অংশগ্রহণের সমালোচনা করেন এবং পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে ছিলেন সর্বদা সোচ্চার। রাসেল ১৯৫০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা ছিল "তার বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ যেখানে তিনি মানবতার আদর্শ ও চিন্তার মুক্তিকে ওপরে তুলে ধরেছেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →