হাঁসুলী বাঁকের উপকথা (১৯৫১)
পৃষ্ঠা: 352
ISBN: 9789849687177
বইয়ের পরিচয়
১৯৪৬। দাঙ্গায় রক্তাক্ত কলকাতা। শারদীয়া আনন্দবাজার সে বছর পাঠকের হাতে পৌঁছায় অক্টোবরের বদলে ডিসেম্বরে। যাতে পুজোর উপন্যাস লিখেছিলেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। লাভপুরে, কোপাই ও বক্রেশ্বর দুনদী মিলেমিশে যেথায় হাঁসুলীর মতো বাঁক নেয় সেখানকার জনজীবন, তাঁদের সুখ-দুঃখ, কান্না-হাসি, প্রেম-ভালোবাসা, ডাঙ্গা-ডহর নিয়ে ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’।বেঙ্গল পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড গ্রন্থাকারে প্রকাশ করে ১৯৫৫ সালে, প্রথম। জীবদ্দশায় প্রকাশিত নয়টি সংস্করণের প্রতিটিতেই পরিমার্জন-পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তারাশঙ্কর তুলে এনেছেন লোকায়ত-জগতের অতলে লুকিয়ে থাকা এক আদিম সমাজচিত্র। লোকসংস্কৃতিবিদ-নৃতত্ত্ববিদ যেমন করে অনুসন্ধান করেন, তারাশঙ্করের অনুসন্ধান তার চেয়েও গভীর, মমত্বময়। সে জন্যই কাহারদের এ উপকথা পেয়েছে পাঠকপ্রিয়তা, অর্জন করেছে কালোত্তীর্ণের গৌরব।সাহিত্যিক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের দৃষ্টিতে তারাশঙ্করের আধুনিকতম সৃষ্টি এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি ‘হাঁসুলী বাঁক’। ‘বাঁশবাঁদি’র কাহারদের সঙ্গে সঙ্গে রূপকছলে ব্রাত্য, মন্ত্রহীন ভারতবর্ষের যুগান্তরের দোলাও প্রকাশ্য এ উপন্যাসে। যা তারাশঙ্করকে দিয়েছে গণসাহিত্যের নির্ভীক অগ্রদূতের শিরোপা।