বইয়ের পরিচয়

ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা*“সব যেন কীটদষ্ট, ব্যাধিদৃষ্ট, পচাধরা, গলিত ক্যানসার। মৃত সম্পর্কে র জের টেনে মৃত মানুষেরা বেঁচে থাকার ভান করছে। সুজাতার মনে হল অমিত, নীপা, বলাই এদের গায়ের কাছে গেলেও বোধহয় শবগন্ধ পাওয়া যাবে। এরা ভ্রুণ থেকেই দুষ্ট, দুষিত, ব্যাধিগ্রস্থ। যে সমাজকে ব্রতীরা নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল সেই সমাজ বহুজনের ক্ষুধিত অন্ন কেড়ে নিয়ে এদের সযত্নে রাজভোগে লালন করে, বড় করে। সে সমাজ জীবনের অধিকার মৃতদের, জীবিতদের নয়। কিন্তু বলাই কি বলছে? ধীমান কে? ধীমান রায়? যার কথা নন্দিনী বলল? সুজাতা দেখলেন একটি অত্যন্ত ফর্সা মেয়ে শালের ম্যাক্‌সি পরে হাতে গেলাস নিয়ে বলাইয়ের কাঁধে হাত রাখল।” তারপর-----? তারপর প্রত্যেকটা সুখী-অস্তিত্বের সুখ ছিঁড়ে বেরিয়ে আসা এক ধ্রুব সত্যকে জানতেই হাজার চুরাশির মা; লেখকের শতাধিক বইয়ের মধ্যে অন্যতম একটি বই।

লেখক পরিচিতি

মহাশ্বেতা দেবী

1926 – 2016

মহাশ্বেতা দেবী (১৪ জানুয়ারি ১৯২৬ – ২৮ জুলাই ২০১৬) ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও মানবাধিকার আন্দোলনকর্মী। তার উল্লেখযোগ্য রচনাগুলি হল হাজার চুরাশির মা, রুদালি, অরণ্যের অধিকার ইত্যাদি। মহাশ্বেতা দেবী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তীসগঢ় রাজ্যের আদিবাসী উপজাতিগুলির (বিশেষত লোধা ও শবর উপজাতি) অধিকার ও ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করেছিলেন। তিনি সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার (বাংলায়), জ্ঞানপীঠ পুরস্কার ও র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার সহ একাধিক সাহিত্য পুরস্কার এবং ভারতের চতুর্থ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান যথাক্রমে পদ্মশ্রী ও পদ্মবিভূষণ লাভ করেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাকে পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান বঙ্গবিভূষণে ভূষিত করেছিলেন।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →