হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) বইয়ের প্রচ্ছদ

হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭)

লেখক: অনুবাদ সাহিত্য

বইয়ের পরিচয়

উইকিপিডিয়া থেকে

হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (ইংরেজি: Harry Potter and the Deathly Hallows) ব্রিটিশ লেখিকা জে. কে. রাউলিং রচিত হ্যারি পটার উপন্যাস সিরিজের সপ্তম ও সর্বশেষ খন্ড। বইটি ২০০৭ সালের ২১ জুলাই প্রকাশিত হয়। পূর্ববর্তী খন্ড হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স এর কাহিনীর ধারাবাহিকতায় এ বইটির প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। এ বইটির মাধ্যমে হ্যারি পটার সিরিজের সমাপ্তি ঘটে। হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস যুক্তরাজ্যে ব্লুমসবারি পাবলিশিং, যুক্তরাষ্ট্রে স্কলাস্টিক, কানাডায় রেইনকোস্ট বুকস এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অ্যালান & আনউইন প্রকাশ করে। এটি আন্তর্জাতিকভাবে ৯৩ টি দেশে একই সাথে প্রকাশিত হয়। ডেথলি হ্যালোস বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম বিক্রিত বই হিসেবে রেকর্ড করে। প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এটির ১৫ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়। এই বইটি বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এর মধ্যে বাংলা, হিন্দি, ইউক্রেনীয়, পোলীয়, সুয়েডীয়, আরবি, ফরাসি, জার্মান প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗

লেখক পরিচিতি

অনুবাদ সাহিত্য

বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ দোহা-সংকলন চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আরও তিনটি গ্রন্থের সঙ্গে চর্যাগানগুলো নিয়ে সম্পাদিত গ্রন্থের নাম দেন "হাজার বছরের পুরনো বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা "। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য ছিল কাব্যপ্রধান। ইসলাম ধর্ম, হিন্দু ধর্ম ও বাংলার লৌকিক ধর্মবিশ্বাসগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এই সময়কার বাংলা সাহিত্য। ইসলামি ধর্মসাহিত্য,পীরসাহিত্য,বাউল পদাবলি,পবিত্র কুরআনের বঙ্গানুবাদ,মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, শাক্তপদাবলি, বৈষ্ণব সন্তজীবনী, রামায়ণ, মহাভারত ও ভাগবতের বঙ্গানুবাদ, নাথসাহিত্য ইত্যাদি ছিল এই সাহিত্যের মূল বিষয়। বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত হয় খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার নবজাগরণের যুগে কলকাতা শহরকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। এই সময় থেকে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর বদলে মানুষ, মানবতাবাদ ও মানব-মনস্তত্ত্ব বাংলা সাহিত্যের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভাগের পর বাংলা সাহিত্যও দুটি ধারায় বিভক্ত হয়: ঢাকা-কেন্দ্রিক বাংলাদেশের সাহিত্য ও কলকাতা-কেন্দ্রিক পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য। পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য ভারতীয় সাহিত্যের একটি শাখা। বর্তমানে বাংলা সাহিত্য বিশ্বের একটি অন্যতম, সমৃদ্ধ সাহিত্যধারা হিসেবে পরিগণিত হয়ে থাকে।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →