বইয়ের পরিচয়

b"আন্দালুসিয়ার সমুদ্রসৈকতে" বইয়ের পিছনের লেখা:br/b স্পেন, ইসলামী ইতিহাসে ‘উন্দুলুস’ বা ‘আন্দালুসিয়া' নামে সমধিক পরিচিত অনিন্দ্য সুন্দর এক ভূ-খণ্ড। তিনদিক সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত। পূর্বে ভূমধ্যসাগর, পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণে জেব্রালটার প্রণালী। জেব্রালটার প্রণালীর বিপরীত দিকে অবস্থিত আফ্রিকার সীমান্তবর্তী একটি ছােট্ট রাজ্য সিউটা। সিউটার রাজা জুলিয়ান। ৭১০ খ্রিস্টাব্দে ফরিয়াদি হয়ে উপস্থিত হন মিসর ও আফ্রিকার আমীর মুসা বিন নুসাইরের দরবারে। অভিযােগ করেন, আন্দালুসিয়ার বাদশাহ রডারিক তার মেয়ে ফ্লোরিডার শ্লীলতাহানি করেছে। মজলুমের করুণ আর্তনাদে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠে। মুসা বিন নুসাইরের অন্তরও কেঁদে উঠল। তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। শুরু হলাে, আন্দালুদিয়া আক্রমণের প্রস্তুতি। মুসা বিন নুসাইর বার্বার যােদ্ধা তারিক বিন যিয়াদের হাতে তুলে দিলেন, আন্দালুসিয়া অভিযানের দায়িত্বভার। তারপর ...। তারপরের ইতিহাস স্পেন বিজয়ের ইতিহাস। এই ইতিহাস মলাটবন্দী করেছেন উর্দু সাহিত্যের শক্তিমান কথাসাহিত্যিক এনায়েতুল্লাহ সলসকত আলতামাশ। ইতিহাস, কিন্তু উপন্যাসের সমস্ত রঙ্গ-রস দিয়ে সাজানাে ইসলামী ইতিহাস-ঐতিহ্যের ঈমানদীপ্ত দাস্তান। তারিক বিন যিয়াদ কর্তৃক রণতরী জ্বালিয়ে দেওয়ার ঐতিহাসিক উপাখ্যান ‘আন্দালুসিয়ার সমুদ্রসৈকতে। b"আন্দালুসিয়ার সমুদ্রসৈকতে" বইয়ের পিছনের লেখা:br/b স্পেন, ইসলামী ইতিহাসে ‘উন্দুলুস’ বা ‘আন্দালুসিয়া' নামে সমধিক পরিচিত অনিন্দ্য সুন্দর এক ভূ-খণ্ড। তিনদিক সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত। পূর্বে ভূমধ্যসাগর, পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণে জেব্রালটার প্রণালী। জেব্রালটার প্রণালীর বিপরীত দিকে অবস্থিত আফ্রিকার সীমান্তবর্তী একটি ছােট্ট রাজ্য সিউটা। সিউটার রাজা জুলিয়ান। ৭১০ খ্রিস্টাব্দে ফরিয়াদি হয়ে উপস্থিত হন মিসর ও আফ্রিকার আমীর মুসা বিন নুসাইরের দরবারে। অভিযােগ করেন, আন্দালুসিয়ার বাদশাহ রডারিক তার মেয়ে ফ্লোরিডার শ্লীলতাহানি করেছে। মজলুমের করুণ আর্তনাদে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠে। মুসা বিন নুসাইরের অন্তরও কেঁদে উঠল। তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। শুরু হলাে, আন্দালুদিয়া আক্রমণের প্রস্তুতি। মুসা বিন নুসাইর বার্বার যােদ্ধা তারিক বিন যিয়াদের হাতে তুলে দিলেন, আন্দালুসিয়া অভিযানের দায়িত্বভার। তারপর ...। তারপরের ইতিহাস স্পেন বিজয়ের ইতিহাস। এই ইতিহাস মলাটবন্দী করেছেন উর্দু সাহিত্যের শক্তিমান কথাসাহিত্যিক এনায়েতুল্লাহ সলসকত আলতামাশ। ইতিহাস, কিন্তু উপন্যাসের সমস্ত রঙ্গ-রস দিয়ে সাজানাে ইসলামী ইতিহাস-ঐতিহ্যের ঈমানদীপ্ত দাস্তান। তারিক বিন যিয়াদ কর্তৃক রণতরী জ্বালিয়ে দেওয়ার ঐতিহাসিক উপাখ্যান ‘আন্দালুসিয়ার সমুদ্রসৈকতে।

লেখক পরিচিতি

এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ

1920 – 1999

এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ জন্মগ্রহণ করেছিলেন একটি রাজপুত পরিবারে ১লা নভেম্বর ১৯২০ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের গুজারখানে। এলাকাটি মার্শাল এরিয়া হিসেবে পরিচিত ছিল ব্রিটিশ আমলে এখান থেকে প্রচুর সৈন্য নিয়োগ দেয়ার কারণে। এনায়েতুল্লাহ এর পরিবারও ঐতিহ্যগতভাবে সৈনিক পরিবার ছিল। ১৯৩৬ সালে তিনি ম্যাট্রিক পাশ করে একজন ক্লার্ক হিসেবে ব্রিটিশ আর্মিতে যোগদান করেন। তিনি একটি পদাতিক ইউনিটে ছিলেন এবং বার্মা ফ্রন্টে জাপানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৪৪ সালে জাপানিদের হাতে বন্দি হন। কিন্তু তিনি জেল থেকে পালিয়ে যান। সেখান থেকে পালানোর পরে দুই বছর বার্মার জঙ্গলে ঘুরে বেড়ান। ভারত ফিরে আসার পর আবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনিতে যোগদান করেন। কর্তৃপক্ষ তাকে আবার মালয়শিয়া পাঠায় বিদ্রোহ দমন করতে। তিনি মালয়শিয়া এসে খুব কাছে থেকে স্বাধীনতা আন্দোলন দেখলেন। এটাও অনুধাবন করলেন যে, যাদেরকে বিদ্রোহী বলা হচ্ছে তারা আসলে স্বাধীনতাকামী যোদ্ধা। সমগ্র মালয়শিয়ার জনগণ তাদেরকে বীর মনে করছে এবং তাদেরকে সমর্থন ও সাহায্য করছে। এনায়েতুল্লাহ মতামত ছিল যে, মালয়শিয়ানদের স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে। তাছাড়া তিনি নিজেওতো ব্রিটিশদের শাসন থেকে ভারতের স্বাধীনতা চাচ্ছেন। সে সময় তিনি একটি সাহসী ও নির্ভীক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনী ত্যাগ করেন এবং স্বাধীনতাকামীদের সাথে যোগ দেন। যখন ব্রিটিশরা ভারতের বিভক্তি ও স্বাধীনতা ঘোষণা করে, তখন এটা জেনে তিনি মাতৃভুমিতে ফিরে আসেন। পাকিস্তানে এসে তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে একজন কর্পোরাল হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ঐ প্রথম দলটির একজন ছিলেন যারা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর আগমনের পর তাকে পেশওয়ার এয়ারপোর্টে স্যালুট করেছিল।

উইকিপিডিয়ায় আরও পড়ুন ↗ সব বই দেখুন →