লেখক পরিচিতি
উইকিপিডিয়া থেকে
শংকর ( ৭ ডিসেম্বর ১৯৩৩ - ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ছিলেন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তার আসল নাম মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। তার প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল চৌরঙ্গী, সীমাবদ্ধ এবং জন অরণ্য। এই তিনটি বই নিয়ে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে। ২০১৬ সালে তিনি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.লিট সম্মানে ভূষিত হন। == প্রাথমিক জীবন == শংকর ১৯৩৩ সালের ৭ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা বনগাঁয় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আইনজীবী বাবা হরিপদ মুখোপাধ্যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আগেই চলে যান কলকাতার ওপারে হাওড়ায়। সেখানেই শংকরের বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা ও সাহিত্য সাধনার শুরু। জীবনের শুরুতে কখনো ফেরিওয়ালা, টাইপরাইটার ক্লিনার, কখনো প্রাইভেট টিউশনি, কখনো শিক্ষকতা অথবা জুট ব্রোকারের কনিষ্ঠ কেরানিগিরি করেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের শেষ ব্রিটিশ ব্যারিস্টার নোয়েল ফ্রেডেরিক বারওয়েল-এর অনুপ্রেরণায় শুরু করেন লেখালেখি। == সাহিত্য জীবন == শংকরের প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে। অল্প বয়সে কত অজানারে বইটি লিখে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। বিখ্যাত পরিচালক সত্যজিৎ রায় তার সীমাবদ্ধ এবং জন অরণ্য উপন্যাসের কাহিনী অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তার চৌরঙ্গী উপন্যাস অবলম্বনেও চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এতে মুখ্য চরিত্র স্যাটা বোসের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন উত্তম কুমার। সেই প্রসঙ্গে শংকর বললেন, "সত্যজিৎই আমাকে সকলের কাছে পৌঁছে দিয়েছে, ছড়িয়ে দিয়েছে।" ২০১২ সাল পর্যন্ত চৌরঙ্গী উপন্যাসের ১১১তম সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। বোধোদয় উপন্যাস প্রকাশের পর শংকরকে উৎসাহ-বাণী পাঠান শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়: "ব্রাইট বোল্ড বেপরোয়া"। ভাবনা বা প্রকাশভঙ্গিতে এ-উপন্যাস নিজের অন্য লেখালেখি থেকে অনেকটাই অন্য রকম হওয়ায় তখন তা পড়তে দিয়েছিলেন মুম্বইবাসী শরদিন্দুকে, পড়ে তিনি বলেছিলেন "তোমার এই লেখায় জননী-জন্মভূমিকেই আমি সারাক্ষণ উপলব্ধি করলাম।" এই বই সম্পর্কে শংকর বলেন, "পাঠকমহলের নিন্দা ও প্রশংসার ডালি নিয়ে আমি নিজেও একসময় বোধোদয়-কে ভালবাসতে শুরু করেছি।" সত্তর দশকের অশান্ত কলকাতা নিয়ে তার ‘স্থানীয় সংবাদ’ উপন্যাসটি এবং ‘সুবর্ণ সুযোগ’— এই তিনটি উপন্যাস মিলিয়ে আগে প্রকাশিত হয়েছিল যে উপন্যাস-সংগ্রহ জন্মভূমি, সম্প্রতি প্রকাশিত হল তার ১০২তম সংস্করণ। == গ্রন্থ তালিকা == == চিত্রকক্ষ == == সম্মাননা == ২০১৬ সালে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.লিট সম্মান। ২০১৯ সালে তাকে ১ বছরের জন্য কলকাতার শেরিফ পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়। ২০২০: একা একা একাশি বইটির জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।
উইকিপিডিয়ায় সম্পূর্ণ পড়ুন ↗